স্বপ্নের আধুনিক ঠিকানাটা হোক ঢাকাতেই
একসাথে জমি কিনি নিজের বাড়ি নিজেই করি
বাঁচান খরচের ৪০% পর্যন্ত!
💰 কীভাবে ফ্ল্যাট কেনার খরচ কমিয়ে আনবেন ৪০% পর্যন্ত?
কোন ফ্ল্যাটের বাজার মূল্য যদি প্রতি বর্গফুট ৮০০০ টাকা হয় সেই ফ্ল্যাট ল্যান্ড শেয়ার পদ্ধতিতে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা প্রতি বর্গফুট খরচে তৈরী করা সম্ভব।
পার্থক্যগুলো বুঝুন - তারপর করুন সুচিন্তিত বিনিয়োগ
| প্রচলিত ডেভেলপমেন্ট পদ্ধতি | জমির শেয়ার কিনে ডেভেলপমেন্ট পদ্ধতি |
|---|---|
| ফ্ল্যাটের উচ্চমূল্য যা সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে। | ৮০% কম খরচে ফ্ল্যাটের মালিকানা বুঝে পাবেন। |
| ফ্ল্যাটের মালিকানা দলিল পেতে সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করতে হয়। | জমির শেয়ার মূল্যে পরিশোধ করে সাফ কবলা দলিল বুঝে পাবেন। |
| নিজের কষ্টার্জিত অর্থের শতভাগ সুরক্ষা পাওয়া যায় না। | আপনার বিনিয়োগ থাকবে শতভাগ সুরক্ষিত। |
| সময়মত ফ্ল্যাট বুঝে না পাওয়ার অনিশ্চয়তা | উচ্চ প্রকল্প জবাবদিহিতা থাকবে তাই সঠিক সময়ে নির্মাণ শেষ হয়। |
| নির্মাণ সামগ্রীর মান সম্পর্কে অনিশ্চয়তা | নিজের পছন্দমত নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবেন। |
| ফ্ল্যাটের লেআউট পছন্দমত করার সুযোগ থাকে না। | নিজের পছন্দমত ফ্ল্যাটের লেআউট করতে পারবেন। |
| আশেপাশের প্রতিবেশী কারা হবে আগে থেকে জানা যায় না। | কাছের মানুষদের নিয়ে নিজের কমিউনিটি গড়ে তুলতে পারবেন। |
🏠 ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনার কথা ভাবছেন?
সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই দেখুন এই ভিডিওটি —
আপনার বিনিয়োগ আরও সুরক্ষিত ও বুদ্ধিদীপ্ত হবে।
শেয়ার কেনার সুযোগ এখন আপনার জন্য উন্মুক্ত!
প্রজেক্ট সমূহ
Manhattan Builders & Development Ltd
৫৭.৫০ লক্ষ টাকা
2450 Sq Ft. • 4 Beds • 5 Baths
Bashundhara K-Block
Manhattan Builders & Development Ltd
৬৫ লক্ষ টাকা
2250 Sq Ft. • 4 Beds • 5 Baths
Bashundhara K-Block
Manhattan Builders & Development Ltd
৫৫ লক্ষ টাকা
1710 Sq Ft. • 3 Beds • 3 Baths
Bashundhara K-Block
সাম্প্রতিক মুহূর্তগুলো













আপনার স্বপ্নের ঠিকানা বাস্তবায়নে ম্যান হাটন বিল্ডার্স -কেন সেরা?
একটি শান্তিপূর্ণ ও স্বপ্নময় কমিউনিটি গড়ে তোলা হবে
সুদক্ষ লিগ্যাল টিম জমির দলিল যাচাই করে দিবেন
অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে গড়ে উঠবে আপনার স্বপ্নের বাড়ি।
আপনার বিনিয়োগ থাকবে শতভাগ সুরক্ষিত
ব্লগ পোস্ট
Frequently
Asked Questions
১। খরচ কমে ৪০% পর্যন্ত
জমির অংশীদার হয়ে নিজে বাড়ি বানালে ফ্ল্যাট কেনার তুলনায় প্রায় ৪০% কম খরচে নিজের স্বপ্নের ঠিকানা তৈরি করা সম্ভব।
2। আর্থিক নিরাপত্তা
প্রথমেই আপনি জমির মালিক হয়ে যান। এরপর বাড়ি নির্মাণ চলাকালীন কিস্তির টাকা থাকে নিজের তত্ত্বাবধানে, ফলে ঝুঁকি প্রায় শূন্য।
3। নির্দিষ্ট সময়েই কাজ শেষ
প্রকল্পের অগ্রগতি মাসে মাসে জানানো হয়। প্রতিমাসে আর্থিক হিসাব এবং পরের মাসের কাজের পরিকল্পনা থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও সময়মতো শেষ হয়।
4। নিজের পছন্দমতো নির্মাণসামগ্রী
নির্মাণের প্রতিটি ধাপে আপনি থাকতে পারেন, মান যাচাই করতে পারেন এবং নিজের পছন্দমতো ইট, সিমেন্ট, টাইলসসহ সব উপকরণ বেছে নিতে পারেন।
5। সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ ও পরিচিত প্রতিবেশী
যেহেতু সবাই মিলে একসাথে বাড়ি বানাচ্ছেন, তাই ভবনের বাসিন্দারা আগে থেকেই চেনা হয়। গড়ে ওঠে বন্ধুত্বপূর্ণ এক কমিউনিটি।
6। রেজিস্ট্রেশন ও অতিরিক্ত চার্জ নেই
ফ্ল্যাটের আলাদা রেজিস্ট্রেশন খরচ, কার পার্কিং বা ইউটিলিটি চার্জ দিতে হয় না—যা বাড়তি সাশ্রয় এনে দেয়।
7। ইচ্ছামতো ঘরের ডিজাইন
আপনার ফ্ল্যাটের অভ্যন্তরীণ ডিজাইন আপনি নিজেই ঠিক করতে পারেন—যেমনটা আপনার স্বপ্নে ছিল।
প্রজেক্টে প্রতিটি প্রকল্পে একজন ইঞ্জিনিয়ার, সুপারভাইজার, নিরাপত্তার জন্য সিকিউরিটি গার্ড এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা থাকবে। এসব সার্ভিসের সম্পূর্ণ ব্যয় আমরা বহন করবো, যাতে আপনি নিশ্চিন্তে গৃহনির্মাণ সম্পন্ন করতে পারেন।
এই সার্ভিসের জন্য আমরা প্রতিটি শেয়ার হোল্ডারের কাছ থেকে তিন বছরে কেবল ৭ লক্ষ টাকা করে সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করবো।
জমি রেজিস্ট্রেশনের পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে হ্যান্ডওভার সম্পন্ন করা হবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা নির্ধারিত সময়ের আগেই হ্যান্ডওভার দিতে সক্ষম হবো।
আমরা “First Come, First Serve” ভিত্তিতে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিয়ে থাকি।
এই নিয়মে, বুকিংয়ের সময় যে ইউনিট বা ফ্লোর খালি থাকবে, আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী ইউনিট নির্বাচন করতে পারবেন।
ফলে, ফ্লোর ও ইউনিট বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করবেন।